শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির নারীপাচারের নয়া ফাঁদ ও শিকড়ের সংকট

জেলেদের টানা জালে জেলিফিশ: ছেয়ে গেছে সৈকত

ভয়েস প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সৈকতে জেলেদের টানা জালে আটকে মরেছে হাজার হাজার জেলিফিশ। আর এসব জেলিফিশে ছেয়ে গেছে পুরো সমুদ্র সৈকত।
শনিবার (৩ ডিসেম্বর) কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনি ও শৈবাল পয়েন্টে এসব জেলিফিশ ভেসে আসে।
প্রতিবছর সৈকতে জেলিফিশ ভেসে আসলে এ বছর তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি জেলিফিশ ভেসে এসেছে। বছরের শেষের দিকে সৈকতে দফায় দফায় জেলিফিশের দেখা মিলছে।
আজ সকালে জোয়ারের পানিতে জেলিফিশগুলো ভেসে এসেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৈকতে দায়িত্বরত বিচকর্মী মো. বেলাল হোসেন।
তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে টানা জালে আটকে পড়ে মারা যায় জেলিফিশগুলো। টানা জাল থেকে জেলেদের ফেলে দেওয়া মৃত জেলিফিশ ভাসতে ভাসতে সৈকতে চলে আসে।
বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সমুদ্র বিজ্ঞানী সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর জানান, কক্সবাজার সমুদ্রের জেলিফিশের প্রজন্ম বেশি। কিন্তু জেলেদের কাছে এ মাছের কোনো গুরুত্ব না থাকায় মেরে ফেলেন। মরে যাওয়া মাছগুলো কূলে ভেসে আসে। ভেসে আসা জেলিফিশে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
তিনি আরও জানান, লোবোনিমুইডিস রোবোস্টাস বা স্থানীয় ভাষায় সাদা নুইন্না প্রজাতির এই জেলিফিশের সংস্পর্শে গেলে কোনো ধরণের ক্ষতি হয় না। বরং প্রক্রিয়া করা গেলে খাদ্য হিসেবে বেশ উপযোগী জেলিফিশ। এটি নিয়ে গবেষণা চলছে।
স্থানীয় ভাষায় জেলিফিশকে ‘নুইন্না’ বলে সম্বোধন করা হয়। হাবিবুর রহমান নামের এক জেলে জানান, কক্সবাজারের মানুষ জেলিফিশ খায় না। এগুলো বেচাকেনাও হয়  না। ফলে এসব আমাদের কোনো কাজে আসে না। বরং কিছু প্রজাতির জেলিফিশ গায়ে লাগলে মারাত্মকভাবে চুলকায়। তাই এসব জালে আটকা পড়লে আমরা ফেলে দেই।
গেল ৩ ও ৪ আগস্ট ও ১১ নভেম্বর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিপুল সংখ্যক জেলিফিশ ভেসে এসেছিল। এসব জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণা করে বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিওআরআইর) সমুদ্র বিজ্ঞানীরা।
ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION